বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
২২টি গ্রামে বৃহত্তর ইছামতি কালিগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা’র ঈদ সামগ্রী বিতরণ  » «   সোনাপুর-সুপ্রাকান্দি ডেভল্যাপমেন্ট সোসাইটির ঈদ সামগ্রী বিতরণ  » «   কাতারে জকিগঞ্জের আব্দুল মুহিম মিনুর মৃত্যু  » «   জকিগঞ্জে ১৩০বোতল অফিসার চয়েজসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   শাহ মোঃ ফয়ছল চৌধুরী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ সম্পন্ন  » «   বৃহত্তর আটগ্রাম প্রবাসী সমাজ কল্যাণ পরিষদের ঈদ সামগ্রী বিতরণ  » «   প্রতিবন্ধী ও দরিদ্রদের মধ্যে স্পেন প্রবাসী মাসহুদের ইফতার  » «   ইউএনও শহীদুল হকের ইন্তেকালে এইচটিএ সেবা ফাউন্ডেশনের শোক  » «   জকিগঞ্জে এমপি প্রার্থী এম জাকির হোসাইনের সমর্থনে ইফতার  » «   জকিগঞ্জের সাবেক ইউএনও শহীদুল হকের দাফন  » «  

স্মৃতি অম্লান

মো. আবদুল আউয়াল হেলাল; ১৯৯৯ সালের ১৪ এপ্রিল, যদ্দূর মনে পড়ছে দিনটি ছিলো বৃহস্পতিবার।মসজিদে হারামে আসর নামায আদায়ের পর আব্বা আমাদের নিয়ে রুসাইফায় যাবেন।মাগরিব নামায ওখানে গিয়েই আদায় করতে হবে।ইসমাঈল ভাই গাড়ির ব্যবস্থা করলেন।মূলত: আমি এবং হাফিয নাঈম উদ্দিন আব্বার সাথে যাওয়ার কথা।জানাজানি হয়ে গেলে পরিচিত কয়েকজন সাথে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করলেন।প্রায় দশ বারোজনের কাফেলা হয়ে গেলো।রুসাইফার শারে মালিকীতে(شارع المالكي)পৌঁছতে মাগরিবের সময় হয়ে এলো।স্থানীয় মসজিদে নামায আদায় করে মসজিদের ঠিক বিপরীতে কাঙ্খিত সে বাড়িতে প্রবেশ করলেন আব্বা। পিছু পিছু কাফেলার অন্যান্যরা। ততক্ষণে লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে সে বাড়ির আঙিনা।কার্পেট মোডানো আঙিনায় বসে পড়েছেন সবাই।দারস শুরু হবে।নির্ধারিত আসনে বসেছেন ধবধবে সাদা পাগডি. পরিহিত সুঠাম দেহের অধিকারী যুগের ইমাম সায়্যিদ মুহাম্মাদ বিন আলাওয়ী আল মালিকী।আহলে বাইত’র মহান এ বুযূর্গের চেহারায় যেনো নূরের ঝিলিক।সায়্যিদ মুহাম্মাদ বিন আলাওয়ী রাহিমাহুল্লাহ’র ছোট ভাই মক্কা শরীফের প্রখ্যাত মুনশিদ সায়্যিদ আব্বাস বিন আলাওয়ী রাহিমাহুল্লাহ’র নেতৃত্বে একদল কাসিদায়ে বুরদা সুর করে গাইলেন।জান্নাতি আবেশ যেনো ছড়িয়ে গেলো মজলিস জুডে.।সে দিনের দারস খুব দীর্ঘ হলো না।আবুদাউদ শরীফ থেকে কিছু পড়া হলো।মুহাদ্দিসুল হারামাইন ইমাম মুহাম্মাদ বিন আলাওয়ী রাহিমাহুল্লাহ পঠিত হাদীসের প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা বিশ্লষণ করলেন।দারস শেষে আগত মেহমানদের আপ্যায়ন করা হলো।একে একে বিদায় নিয়ে আগতরা চলে যেতে লাগলেন।এবার আব্বা আমাদের নিয়ে উনার একান্ত কাছে গেলেন।একে একে সবার পরিচয় দিলেন।আমার পরিচয় দেয়ার পর মাশাআল্লাহ বলে মাথায় মুবারক হাত বুলিয়ে কাছে টেনে নিলেন।আব্বা আমাদের জন্য মুসালসাল হাদীসের ইজাযত চাইলেন।সানন্দে রাজি হয়ে তিনি মুসালসাল বিল আউয়ালিয়্যাহ, মুসালসাল বিল মুহাব্বাহ, মুসালসাল বিল মুসাফাহা ও মুসালসাল বিল আসওয়াদাইন এ চার মুবারক হাদীস বিস্তারিত সনদসহ শোনালেন।পরে নির্ধারিত কয়েকজনকে লিখিত ইজাযত স্বাক্ষর করে দিলেন।
হাদীসে মুসালসাল বিল আসওয়াদাইন’র ইজাযত দেয়ার সময় থাল থেকে একটি করে খেজুর নিয়ে সবার হাতে হাতে দিলেন।সবার শেষে একটি খেজুর হাতে নিয়ে অর্ধেক নিজে খেয়ে বাকীটুকু আমার মুখে পুরে দিলেন।আমি তাঁর কিতাবাদির বাংলা তরজমা করার ইজাযত চাইলাম। বললেন-ঝামেলার সময় লিখিত দিতে পারছি না।তবে মৌখিক ইজাত দিলাম।উম্মতে মুহাম্মাদির উপকারের নিয়তে সব বাংলা তরজমার ব্যবস্থা করবে।

 

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.