বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জকিগঞ্জ এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অসহায় রোহিঙ্গাদেরকে সহায়তা প্রদান  » «   ঢাবি ভর্তি মেধা তালিকায় জকিগঞ্জের ফখরুল  » «   জকিগঞ্জের ইউএনও এবং এ্যাসিল্যান্ডকে সেতুবন্ধনের বিদায় সংবর্ধনা  » «   জকিগঞ্জের ইউএনও এবং এসিল্যান্ড বদলী  » «   শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনের ২য় সাময়িক পরিক্ষার ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন  » «   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরিক্ষার মেধাতালিকায় জকিগঞ্জের ফখরুল  » «   পিল্লাকান্দির আব্দুস ছালাম চৌধুরী অসুস্থ; দোয়া কামনা  » «   আল ইহসান একাডেমীতে শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  » «   জকিগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা স্টোরের উদ্বোধন  » «   লতিফিয়া সাংস্কৃতিক ফোরাম, কালিগঞ্জ’র সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত  » «  

সাত খুন: নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ ১৫ ফাঁসি বহাল

নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যদণ্ড পাওয়া ২৬ জনের মধ্যে ১৫ জনের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বাকি ১১ জনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার বিকেলে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিদের মধ্যে সাবেক কমিশনার নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা লে. কর্নেল তারেক সাঈদ, মেজর আরিফ, মাসুদ রয়েছেন ।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে ওই দ্বৈত বেঞ্চে রায় পড়া শুরু হয়।

সাত খুন মামলার আপিলের রায়ের জন্য গত ১৩ আগস্ট দিন ধার্য ছিল। পরে রায়ের দিন পিছিয়ে ২২ আগস্ট (আজ) নির্ধারণ করা হয়। এর আগে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ২৬ জুলাই একই বেঞ্চ রায়ের জন্য ১৩ আগস্ট দিন রেখেছিলেন।

গত ২২ মে সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হয়। সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে নূর হোসেন, তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন, মাসুদ রানা, এমদাদুল হক (হাবিলদার), বেলাল হোসেন, আবু তৈয়ব, শিহাব উদ্দিন, এসআই সুনেন্দু বালা, পূর্ণেন্দু বালা, আসাদুজ্জামানূর, মূর্তজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান বিপু, আবুল বাশার ও রহমত আলীসহ ২০ আসামি হাইকোর্টে নিয়মিত আপিল ও জেল আপিল করেন।

চাঞ্চল্যকর সাত খুনের মামলায় গত ১৬ জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন ও র‌্যাবের বরখাস্তকৃত তিন কর্মকর্তাসহ ২৬ জনকে মৃত্যৃদণ্ড দিয়ে নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন রায় দেন। এ মামলার ৩৫ জন আসামির মধ্যে বাকি নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

গত ২২ জানুয়ারি ১৬৩ পাতার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। ওই দিনই পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি, জুডিশিয়াল রেকর্ড, সিডিসহ বিভিন্ন নথিপত্র (ডেথ রেফারেন্স) হাইকোর্টে পৌঁছে দেয় বিচারিক আদালত। প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এ মামলার পেপার বুক প্রস্তুতে দ্রুত উদ্যোগ নেয়া হয়। সে আলোকে গত ৭ মে মামলার পেপার বুক হাইকোর্টে এসেছে। পেপারবুকটি প্রায় ছয় হাজার পৃষ্ঠার।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে ছয়টি লাশ। পরদিন মেলে আরেকটি লাশ। নিহত অন্যরা হলেন নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম।

ঘটনার এক দিন পর কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে নূর হোসেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.