সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জকিগঞ্জ সর. কলেজে ছাত্রদলের স্বাগত মিছিল  » «   মুন্সীপাড়া দাখিল মাদ্রাসায় সংবর্ধনা ও মাসুক আহমদ স্মরণে মিলাদ মাহফিল  » «   ধর্মীয় সংগঠনে সম্পৃক্ত না রাখার অনুরোধ হিরঞ্জিত বিশ্বাসের  » «   পাশের সংখ্যায় শীর্ষে ইছামতি ডিগ্রী কলেজ  » «   নব-গঠিত মানিকপুর ইউপি ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল  » «   বিভিন্ন দাবিতে জকিগঞ্জে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি  » «   জকিগঞ্জে ভোটার তালিকা হালনাগাদ আগামীকাল থেকে ; নিয়মে পরিবর্তন।  » «   জকিগঞ্জের ১৩৬টি সর. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ  » «   লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে মাসুক উদ্দিন আহমদকে সংবর্ধনা  » «   এইচএসসি উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্রলীগ নেতার মিষ্টি বিতরণ  » «  

সংখ্যালঘু মুসলমানের দেশ ভারতও তাড়িয়েছে আমাকে : তসলিমা

photo-1499359368

এক টুইটে বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘ইসলামী মৌলবাদদের বিপক্ষে লিখি বলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ আমাকে তাড়িয়েছে। সংখ্যালঘু মুসলমানের দেশ ভারতও তাড়িয়েছে আমাকে।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটের বাদুড়িয়ায় আপত্তিকর ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনার সমালোচনায় তসলিমা এসব কথা লেখেন।

বাদুড়িয়ার ঘটনার জন্য তসলিমা নাসরিন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ‘সংখ্যালঘু তোষণ’কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি বাদুড়িয়াকে বাংলাদেশের নাসিরনগরের সঙ্গেও তুলনা করেছেন।

তসলিমা তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘বাংলাদেশ যা, পশ্চিমবঙ্গও তা। যার প্রমাণ পেয়েছিলাম নিজেকে দিয়েই। ইসলামী মৌলবাদদের বিপক্ষে লিখি বলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ আমাকে তাড়িয়েছে। সংখ্যালঘু মুসলমানের দেশ ভারতও তাড়িয়েছে আমাকে। ভারতের কিছু এলাকায় এখনো ঢুকতে পারলেও পশ্চিমবঙ্গে ঢোকা বাংলাদেশের মতোই অসম্ভব। ফেসবুকে কাবার ফটোশপ ছবি নিয়ে যেভাবে মুসলমানরা হিন্দুর ওপর আক্রমণ করেছে বাংলাদেশের নাসিরনগরে, তেমনি পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট, বাদুড়িয়াতেও এখন মুসলমানরা হিন্দুর ওপর আক্রমণ করছে। সংখ্যাগুরু হিন্দুর চেয়ে সংখ্যালঘু মুসলমানের জোর বেশি। মুসলিমতোষণ রাজনীতিই এই জোরটা দেয়।

এরপরেই ফেসবুকে আরো একটি পোস্ট করেন তসলিমা। সেই পোস্টে হিংসা বন্ধের অনুরোধ জানিয়ে স্মরণ করিয়ে দেন, এই হিংসার জন্যই ভাগ হতে হয়েছিল ভারতকে।

তসলিমা তাঁর ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘বসিরহাট বাদুড়িয়াতে শুনলাম মুসলমানরা শুধু হিন্দুদের বাড়িঘর, দোকানপাট পোড়াচ্ছে না, হিন্দুরাও পোড়াচ্ছে মুসলমানদের বাড়িঘর-দোকানপাট। হিন্দু-মুসলমান দুই পক্ষই নাকি রাস্তায় রামদা হাতে নিয়ে ঘুরছে। একেই বলে দাঙ্গা। যে দাঙ্গার কারণে ভারত ভাগ হয়েছিল। আবারও কি ভাগ হবে ভারত? সত্তর বছর পর এখনো পরস্পরের প্রতি ঘৃণা কিলবিল করে। দ্বিজাতিতত্ত্বই কি তবে শেষ অবধি সত্য হতে যাচ্ছে? এ লজ্জা কোথায় রাখি! ভালো মানুষরা কোথায়, দাঙ্গা বন্ধ করুন, ঘৃণাকে নির্বাসনে পাঠান, অসহিষ্ণুতাকে ছুটি দিয়ে দিন, হিংসাকে নিরস্ত্র করুন, সহমর্মিতাকে আলিঙ্গন করুন। মানুষের ইতিহাস যদি পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মরে যাওয়া হয়, পশুদের সামনে আমরা মুখ দেখাব কী করে?’ (এনটিভি)

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.