বুধবার, ২০ জুন, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
২২টি গ্রামে বৃহত্তর ইছামতি কালিগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা’র ঈদ সামগ্রী বিতরণ  » «   সোনাপুর-সুপ্রাকান্দি ডেভল্যাপমেন্ট সোসাইটির ঈদ সামগ্রী বিতরণ  » «   কাতারে জকিগঞ্জের আব্দুল মুহিম মিনুর মৃত্যু  » «   জকিগঞ্জে ১৩০বোতল অফিসার চয়েজসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   শাহ মোঃ ফয়ছল চৌধুরী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ সম্পন্ন  » «   বৃহত্তর আটগ্রাম প্রবাসী সমাজ কল্যাণ পরিষদের ঈদ সামগ্রী বিতরণ  » «   প্রতিবন্ধী ও দরিদ্রদের মধ্যে স্পেন প্রবাসী মাসহুদের ইফতার  » «   ইউএনও শহীদুল হকের ইন্তেকালে এইচটিএ সেবা ফাউন্ডেশনের শোক  » «   জকিগঞ্জে এমপি প্রার্থী এম জাকির হোসাইনের সমর্থনে ইফতার  » «   জকিগঞ্জের সাবেক ইউএনও শহীদুল হকের দাফন  » «  

শবে ক্বদরের গুরুত্ব ও আমল

শবে ক্বদর অর্থ হচ্ছে মহিমান্বিত রজনী বা মর্যাদাপূর্ণ রাত। এই রাতকে লাইলাতুল ক্বদরও বলা হয়। পবিত্র মাহে রমজান যেমন অন্যান্য মাসগুলো থেকে উত্তম তেমনি লাইলাতুল ক্বদর অন্যান্য রজনী অপেক্ষা অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতের অধিকারী। লাইলাতুল ক্বদরের মর্যাদা অনুধাবন করার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ করার জন্য এই রাতকে নির্বাচন করেছেন। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন “নিশ্চয়ই আমি পবিত্র কুরআন লাইলাতুল ক্বদরে অবতীর্ণ করেছি” শবে ক্বদরের নামকরণের তাত্পর্য বর্ণনা করতে গিয়ে ইমাম যুহরী (রহ.) বলেন, এ রাতকে শবে ক্বদর এই জন্য বলা হয়, এই রাত অত্যন্ত মূল্যবান ও অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এই মহান রাতের ইবাদতের কারণে মানুষের মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি পায়। শবে ক্বদরের ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে সূরা ক্বদরে ইরশাদ করেন “মহিমান্বিত রাত শবে ক্বদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম”। অর্থাত্ এ রাত্রে কোন ব্যক্তি ফরজ ইবাদতের পাশাপাশি নফল ইবাদত যেমন নামাজ, জিকির, কুরআন তেলাওয়াত করতে সক্ষম তার আমল নামায় এক হাজার মাস অর্থাত্ ৮৩ বছর ৪ মাস নফল ইবাদত করার সওয়াব লেখা হয়। হযরত ইবনে জারীর (রা.) হযরত মুজাহিদ (রা.) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, বনী ইসরাইলের একজন লোক সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত থাকতেন এবং দিনের বেলায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দ্বীনের শত্রুদের সাথে যুদ্ধ করতেন, এক হাজার মাস পর্যন্ত তিনি এই ভাবে কাটিয়ে দেন। একদা রসূল (স.) বনী ইসরাইলের চারজন আবেদের কথা উল্লেখ করেন তারা আশি বছর আল্লাহর ইবাদত করেছিলেন এক সময়ের জন্য তারা আল্লাহর নাফরমানি করেননি এই ঘটনা শুনে নবীর সাহবারা বিস্ময়বোধ করেছে। তখন আল্লাহ তায়ালা সূরা ক্বদর অবতীর্ণ করে তার প্রিয় রসূল (স.)-এর উম্মতের জন্য সুসংবাদ দেন যে, এই উম্মতের কোন ব্যক্তি যদি লাইলাতুল ক্বদরের ইবাদত করে তবে সে বনী ইসরাইলের ঐ ইবাদতের চেয়ে অধিক পূর্ণ লাভ করবে। এতে রসূল (স.) এবং তার সাহবীরা অত্যন্ত খুশি হলেন। কুরআন মাজিদের স্পষ্ট প্রমান দ্বারা এই কথা নিশ্চিত যে শবে ক্বদর রমজান মাসেই হয়। কিন্তু সঠিক নির্দিষ্ট কোন তারিখ নেই এই ব্যাপারে আলেম ওলামাদের মধ্যে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে। অনেক আলেমরাই এই কথায় এক যে, শবে ক্বদর রমজান মাসের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাত্রিতে আসে।

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.