বৃহস্পতিবার, ২৫ মে, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জোবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা শীর্ষক আলোচনা  » «   বিদ্যুৎ বিভ্রাটে আমার নিয়ন্ত্রণ নেই, জকিগঞ্জ বার্তাকে ডিজিএম  » «   জকিগঞ্জ-চারখাই সড়কের মাঝে গর্ত, যান চলাচলে বিঘ্ন  » «   ফেসবুকে মানহানীকর মন্তব্য; সাংবাদিক এখলাছুর রহমানের থানায় জিডি  » «   সেই হামলায় জড়িত ফুলতলী এতিমখানার ৩শিক্ষক ও ১৭ছাত্রকে বহিষ্কার  » «   জকিগঞ্জের সেই মানসিক ভারসাম্যহীন পরিবারকে সহায়তা  » «   জকিগঞ্জে প্রায় ৭০লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দু’টি ব্রীজের উদ্বোধন  » «   জকিগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরীর গেইট ও দেয়াল উদ্বোধন  » «   গণিপুর কামালগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা  » «   দীর্ঘদিন পর জকিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল  » «  

মোবাইলে পরিচয়, বিয়ে হয় ২০১৪ সালে

বলব-768x399

২০১০ সালে বন্ধুর মাধ্যমে মোবাইল ফোনের নম্বর আদানপ্রদান। এরপর নাসরিন সুলতানার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ক্রিকেটার আরাফাত সানি। দীর্ঘ সময়ে অনেক ঘোরাঘুরির মধ্যে অন্তরঙ্গতাও বাড়ে দুজনের। প্রেমের টানে ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর পরিবারের অজ্ঞাতে বিয়েও করেন তারা। কিন্তু মেয়েকে ঘরে তুলে নেননি আরাফাত সানি। বলে-কয়েও ঘরে উঠতে পারেননি নাসরিন।
এখানেই শেষ নয়। অনেকবার নাসরিন দুই পরিবারকে বিয়ের বিষয়টি জানিয়ে ঘরে তোলার জন্য চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু আরাফাত সানি নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন।

চলতি বছরের শুরুতে নাসরিনের পরিবার থেকে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া শুরু করে। কিন্তু আরাফাত সানির সঙ্গে আগেই বিয়ে হওয়ার বিষয়টি জানতো না পরিবার। এরপর নাসরিন সুলতানা আবারো সানিকে পারিবারিকভাবে ঘরে তুলে নেয়ার অনুরোধ জানান। তাতেও কাজ না হওয়ায় বিয়ের সম্পর্ক ছিন্ন করারও প্রস্তাব দেন নাসরিন।

কিন্তু আরাফাত সানি তা না করে উল্টো গত ৬ ডিসেম্বর নাসরিন সুলতানার নামে ফেসবুকে একটি ফেক আইডি খুলে সেটা থেকে নিজেদের অন্তরঙ্গ ছবি পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেন। নানাভাবে হুমকিও দেয়া হয় তাকে। এরপরই পুলিশের আশ্রয় নেন নাসরিন সুলতানা। মামলার এজাহার সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ ব্যাপারে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার জানান, গত ৫ জানুয়ারি নাসরিন সুলতানা ক্রিকেটার আরাফাত সানির বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা (মামলা নং ১১) করেন। সানির সঙ্গে তার বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। এর স্বপক্ষে প্রমাণস্বরূপ নাসরিক সুলতানা গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রও দিয়েছেন। তাছাড়া তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছি।
প্রাথমিক তদন্তে সানির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার পরই রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আমিনবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান ডিসি বিপ্লব। সানিকে এখন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইয়াহিয়া বলেন, সানিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ডে চাওয়া হবে।
তবে আরাফাত সানিকে গ্রেফতার করে মোহাম্মদপুর থানায় নিয়ে আসার পর মা নার্গিস আক্তার থানায় উপস্থিত সাংবাদিকদের অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে ফাঁসানো হচ্ছে। পুলিশের যোগসাজশে নাসরিন আফারাত সানিকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। সানির বিরুদ্ধে করা অভিযোগ খতিয়ে দেখার আগে নাসরিনের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখার দাবি জানান তিনি।

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.