শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নানা আয়োজনে জকিগঞ্জ টিভি’র প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন  » «   জকিগঞ্জ কানাইঘাট আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন ইকবাল আহমদ  » «   দুই বছরে পা রাখছে জকিগঞ্জ টিভি  » «   আমেরিকা প্রবাসী যুবলীগ নেতা মিজান চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন  » «   শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতন এর ৫ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের বিদায়  » «   এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য তারুণ্য ছাত্র ঐক্যের ফ্রি কোচিং শুরু ২১নভেম্বর  » «   জকিগঞ্জ পৌরসভা ও সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের মিছিল  » «   বিরশ্রীর বিশিষ্ট মুরব্বী হাজী আব্দুর নূরের দাফন  » «   লন্ডন প্রবাসী, মাওলানা ফখরুল ইসলাম ট্রাস্টের বৃত্তি পরীক্ষা আগামীকাল  » «   জকিগঞ্জ কানাইঘাট আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন ইকবাল আহমদ  » «  

বৃদ্ধাশ্রম হয় কেন মা বাবার শেষ ঠিকানা?

কত আদর, ভালোবাসা, যত্ন দিয়ে লালনপালন করেছিলাম সন্তানকে। কিন্তু সেই সন্তানই ভুলে গেলো আমাকে। পূর্ণ করেছিলাম সন্তানের সকল চাহিদা, দিয়ে ছিলাম আধুনিকতার সকল শিক্ষা।এতো কিছু দেওয়ার পর কি পেলাম আদরের সন্তান থেকে? নিজে না খেয়ে খাইয়েছি সন্তানকে। কিন্তু আজ সেই সন্তানই আমায় খেতে দেয় না। নিজের সখ অপূর্ণ রেখে সন্তানের সখের দিকে চেয়ে তাহার গায়ে একটিও আঘাত লাগতে দেই নি। সন্তানকে দেইনি কারো কাছে তুচ্ছ হতে। মাথার ঘামের বন্যায় ভেসেছে মোর কাঁধ, শরীরের ঘামে ভিজেছে কতো শার্ট। ক্ষুধার জ্বালায় পেঠ পুড়েছে তবুও সন্তানকে সেই কষ্ট বুঝতে দেইনি। মানুষ করার জন্য সব করেছি তবুও সন্তান বড় হয়ে বাবা মায়ের খবর রাখেনি। এমন অবস্থা আমাদের সমাজে নতুন কিছু নয়। মাঝে মধ্যে মানুষের ঘরেও কিছু মানুষরূপী অমানুষের জন্ম হয়। কেনই বা এমন হয়? কিবা তার কারণ? এমন হওয়ার ফলে কি নিজ সন্তানকে ফেলে দিতে পারবো? আচ্ছা আমার সন্তান এরকম করে আমাকে ভুলে যাওয়ার পিছনে আমার কি কোনো ভুল বা গাফলতি আছে কি? এমন যদি হয় আপনার সাথে তবে হ্যাঁ নিচের লেখাটি আপনার জন্যই।
সন্তানের প্রতি মা বাবার কিছু দায়িত্ব রয়েছে তা আমরা নিজ সন্তানের প্রতি প্রয়োগ করা জানিনা বলেই দিন দিন সমাজ, জাতি এবং সম্মানবোধটা নষ্ট হচ্ছে। বাড়ছে বৃদ্ধাশ্রমের মতো আশ্রম ঘরের সংখ্যা। বৃদ্ধাশ্রম যেনো আমাদের সমাজের পরিচিত একটি স্থান। যেখানে আশ্রিতজন কষ্ট, ত্যাগ তিতিক্ষা করার পরও বেচে থাকেন সন্তানদের অপেক্ষায়। আশায় আশায় বসে থাকেন সন্তানেরা কবে আসবে তাকে ফিরিয়ে নিতে? মেহনতি কষ্ট স্বীকার করা বাবা আর নাড়ী ছিড়ে ও হাড় ভাঙ্গা কষ্ট সহ্য করে জন্ম দেওয়া মা অপেক্ষায় থাকেন সন্তানের। কখন সন্তান তাদের ভুল বুঝতে পেরে আসবে নিতে এই বৃদ্ধ অথবা বৃদ্ধা মা ও বাবাকে? এমন বৃদ্ধ মা বাবার অভাব হয় না আমাদের সমাজে। নিজে না খেয়ে খাইয়ে দেওয়া মা এবং নিজের খাবার সন্তানের থালায় তুলে দেওয়া বাবা কতটুকু কষ্ট যন্ত্রনা সহ্য করে সন্তানের ফিরে আসার অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকেন? তবে কি মা বাবা সন্তানকে লেখাপড়া করিয়ে মানুষ করেছিলেন এজন্যই?
আমাদের সমাজে এরকম ঘটনার অভাব হয় না, মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসার নজির নতুন কিছু না। এমনি এমনও খবর সংবাদ মাধ্যম থেকে পাওয়া যায়, যার মধ্যে সন্তান কর্তৃক পিতা মাতা হত্যার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনার সংবাদ গুলোও পড়তে হয়। মনে পড়ে, স্বপ্না ও মাহফুজুর রহমান নামে দুর্ভাগ্যগ্রস্ত মা বাবার কথা? যাদের মৃত্যু হয়েছিলো নিজ কন্যা সন্তানের(ঐশী) হাতে। মনে পড়ে, কেরানীগঞ্জে মোনাজত উদ্দিন নামক পিতা খুন হয়েছিলেন নিজ পুত্র তমিজ উদ্দিনের কাছে? তাও আবার ৫০০ টা টাকার জন্য। আপনাদের মনে আছে কিনা জানিনা, একবার এক পত্রিকায় পড়েছিলাম কোনো এক ছেলের একটা মোটরবাইক থাকার পরও আরেকটা দাবী করায় পিতা মাতা দিতে রাজী হন নি। অতপর ছেলেটি বাবার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এই তো সেদিন একজন দাদাবাবুকে দেখলাম ৮০ বছরের একজন পিতাকে পেটাচ্ছেন। তাও মাকে(বৃদ্ধের নিজ স্ত্রীকে) সামান্য একটা মিষ্টি দেওয়ার ভুলের জন্য।
এতসব ন্যাক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ার কারণ কি? কি তার সামাধান? কেউ কি চিন্তা করে দেখেছিলো?
যদি কেউ এসব ঘৃণিত কাজের উৎস অনুসন্ধান করেন, তবে দেখবেন এর শিক্ষা আসে সমাজে প্রচলিত কিছু নোংরা টিভি আর নর্দমার কীটদের সঞ্চালনার মাধ্যমে তৈরীকরা কিছু টিভি সিরিয়াল থেকে। আমার দেশে প্রচারিত চ্যানেলের বেশির ভাগই টিভি চ্যানেল ভারতের তৈরী, কিন্তু তাদের দেখে দেখে আমরাও এখন সেসব তৈরী করা শিখে নিয়েছি। আমরাও তাদের মতো কীট হতে শুরু করে দিয়েছি। অতপর তাদের এসব নিকৃষ্ট কর্মকে আমরা বাস্তবতায় রূপান্তরিত করতেছি। এসব টিভি সিরিয়াল দেখার পর সন্তান কি শিখবে আর কি করে ভালো মানুষ হবে? সেটা একবার চিন্তা করে দেখেন।
তারপর যে উৎসকে ধরা যায় তা হচ্ছে, সন্তানকে ধর্মীয় জ্ঞান না দেওয়া। আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন যাদের গায়ে আগুন জ্বলে ঠিক তখন, যখন ইসলাম ধর্ম কিংবা ধর্মের বিষয়ে কথা বলা হয়। আর ঐসব চিন্তা ভাবনাকারী বেশির ভাগ মা বাবা যারা তাদের সন্তানকে ধর্মীয় জ্ঞান না দিয়ে অাধুনিক শিক্ষা দিয়েছিলেন। উনাদেরই স্থান বেশির ভাগ সময় হয় বৃদ্ধাশ্রমে। আর ধর্মই আমাদেরকে শিক্ষা দেয় পিতা মাতার প্রতি অনুগত থাকার। কেননা কুরআন কারীমে মহান সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ পাক বলেন,
وَقَضَى رَبُّكَ أَلاَّ تَعْبُدُوا إِلاَّ إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِنْدَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلاَهُمَا فَلاَ تَقُلْ لَهُمَا أُفٍّ وَلاَ تَنْهَرْهُمَا وَقُلْ لَهُمَا قَوْلاً كَرِيمًا- وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ وَقُلْ رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا- رَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَا فِي نُفُوسِكُمْ إِنْ تَكُونُوا صَالِحِينَ فَإِنَّهُ كَانَ لِلْأَوَّابِينَ غَفُورًا- (إسراء 23-25)-
‌‌‘আর তোমার প্রতিপালক আদেশ করেছেন যে, তোমরা তাঁকে ছাড়া অন্য কারো উপাসনা করো না এবং তোমরা পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ করো। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়ে যদি তোমার নিকট বার্ধক্যে উপনীত হন, তাহলে তুমি তাদের প্রতি উহ্ শব্দটিও উচ্চারণ করো না এবং তাদেরকে ধমক দিয়ো না। তুমি তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বল’। ‘আর তাদের প্রতি মমতাবশে নম্রতার পক্ষপুট অবনমিত কর এবং বল, হে আমার প্রতিপালক! তুমি তাদের প্রতি দয়া কর যেমন তারা আমাকে শৈশবে দয়াপরবশে লালন-পালন করেছিলেন’। ‘তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের অন্তরে যা আছে তা ভালভাবেই জানেন। যদি তোমরা সৎকর্ম পরায়ণ হও, তবে তিনি তওবাকারীদের জন্য ক্ষমাশীল’ (ইসরা/বনু ইস্রাঈল ১৭/২৩-২৫)।
সুতরাং সন্তানকে ধর্মীয় জ্ঞান না দেওয়াটাও মা বাবা বৃদ্ধাশ্রমে বসবাসের একটি কারণ। যে সন্তান ধর্মজ্ঞানে জ্ঞানী সে কখনও তার পিতা মাতা কে কষ্টদিতে পারে না। আপনি যদি ধর্মশিক্ষায় শিক্ষিত না হয়ে আপনার পিতামাতার প্রতি খারাপ ব্যবহার করেন তবে তার একটা কর্মফল আপনার সন্তানের উপর পড়বেই।
নিজের বাবা মার প্রতি খারাপ আচরণ করার ফলে সেই পাপের ফল ভোগ করতে হয়। এমনকি আপনার সন্তান আপনার দেখে ছোট বয়সে শিক্ষা নেয়। ছোট বাচ্চারা বড়দের দেখেই শিখে। বাচ্চাদের সামনে একটা গালি দিলেও খুব যলদি তা তারা মুখস্থ করে নেয়। সুতরাং তার সামনে খারাপ কথাবার্তা বলা কিংবা বাচ্চাদের সামনে অসম্মানজনক কোনো আচরণ করা থেকে দূরে থাকুন।
অতপর সন্তানকে আদর্শ শিক্ষা না দেওয়াটাও একটা বড় কারণ। আদর্শ শিক্ষা বলতে যা বুঝানো হয়েছে, তা হলো আপনার সন্তানকে শিক্ষিত করলে হবে না, বরং মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। সন্তানকে বুঝাতে হবে সত্য এবং মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য কি? প্রয়োজনে মহান মানুষদের জীবনী অনুসরনের কথা বলতে পারেন কিংবা করাতে পারেন। যেমন আল্লাহর রাসুল সাঃ এর আদর্শকে অনুসরন করাতে পারেন। কেননা আজ পর্যন্ত আল্লাহর রাসুল সাঃ আদর্শের মতো কোনো আদর্শ তৈরী হয়নি এবং হবেওনা। সকল চরিত্রের উর্ধ্বে হচ্ছে জামানার শ্রেষ্ট মানব হযরত মোহাম্মদ সাঃ চরিত্র। যা অনুসরন করলে জীবনকে আলোয় আলোকিত করা যায়।
সন্তানের চাহিদা পূর্ণ করা। মা বাবার চিন্তা ভাবনা থাকে আমার তো একটি মাত্র ছেলে বা মেয়ে, তো সে কিছু চাইবে আর তা পূর্ণ না করে থাকবো কি করে? হ্যা সন্তানের চাহিদা পূর্ণ করবে তা ঠিক কিন্তু তাই বলে ভালো খারাপ বিবেচনা না করে পূর্ণ করাটা কি বোকামি না? আপনি যখন আপনার সন্তানের চাহিদা সব সময় পূর্ণ করা শুরু করবেন তখন হঠাৎ একদিন কোনো কিছুতে যদি না করেন তখন দেখা যায় শুরু হয় নানা ধরনের জোরাজুরি। প্রয়োজনে আপনাকে সমাজে লজ্জিত করে হলেও তার চাহিদা সে পূর্ণ করবেই।
এরকম একবার একদিন দেখলাম একটি ছেলে বাবার কাছে কি জানি একটা জিনিস কিনে দিতে বলে। বাবা বললেন এটা তো বাসায় আছে। বাচ্চার বয়স কিন্তু চার বছর। কিন্তু বাচ্চা বললো আমি এটাই চাই, বাবা বাচ্চাকে না করলেন দেওয়া যাবে না তখন সে মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে এমন কান্না শুরু করলো যা বলে বুঝানোর ক্ষমতা আমার নেই। দোকানে সব মানুষের দৃষ্টি যখন বাবার দিকে পড়লো তখন বাবা লোক লজ্জার ভয়ে কিনে দিতেই হলো। কিন্তু এতে করে সন্তান ভবিষ্যতে কি শিখলো? শিখলো এটাই যে, যেখানে বলে কাজ হয় না সেখানে লজ্জায় কাজ হয় আর যেখানে লজ্জায় কাজ হয় না সেখানে ভয়ে কাজ হয়। যেমন করে সে দিনে দিনে হয়ে উঠতেছে জেদি হিসাবে।
চাহিদা পূর্ণ করা জেদি সন্তান হিসাবে সন্তান তৈরী করাটাও একটা বড় কারণ,
সন্তানের জেদাজেদি পূর্ণ করাটাও একটি বড় কারণ। যেমনি করে মোনাজাত উদ্দিনের খুন হয়েছিলো পুত্র জেদি হওয়ার ফলে এবং তার ছোট বেলা থেকে চাহিদা পূর্ণ করার ফলে। তাই সন্তানের চাহিদা মাত্র জেদ ও চাহিদা পূর্ণকরা থেকে দূরে থাকুন। আর এটা সন্তানের ছোট বেলা থেকে শিক্ষাদিন যে, কিভাবে জেদাজেদি থেকে দূরে থাকা যায়? আপনার সন্তানকে জেদি হিসাবে নয় মানুষ হিসাবে গড়েন।
কোনো বিষয়ে সন্তানকে খুব তারাতারি আশ্রয় দেয়া, এই জিনিসটা বাচ্চাকে ছোটবেলা থেকে অপরাধ প্রবনতার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়। যেমন আপনার বাচ্চা অপরাধ করার পরও লোক লজ্জায় সন্তানের অপরাধকে অস্বীকার করাটাও কিন্তু আপনার সন্তানকে খারাপ কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সন্তানের পক্ষে অবস্থান নেন না, এমন মা বাবা আমাদের সমাজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। মা বাবা”সন্তানকে দুএকটি বেত্রাঘাত করার ফলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন নি” এমন বানী এখন আর শোনা যায় না। এমনকি সন্তানকে এমন ভাবে প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন যেন শিক্ষকেরই দোষ। এমতাবস্থায় মা বাবার সন্তানের প্রতি প্রেম এতোটাই উৎলে ওঠে বা স্নেহের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যে, শিক্ষকদের লাঞ্চিত করতেও পিছপা হয় না। কিন্তু এমন বিষয়ে সন্তানকে প্রশ্রয় দেয়া যে কতটুকু মারাত্মক সেটা বৃদ্ধ হলে মা বাবা বুঝতে পারেন। সুতরাং আপনার সন্তানকে অপরাধ জগতের রাজা করবেন নাকি শ্রেষ্ঠ মানব করবেন সেটার সিদ্ধান্ত মা বাবা হিসাবে আপনারই দায়িত্ব। সেজন্য সন্তানকে বইয়ের দিক থেকে মেধাবী করার পাশাপাশি ধর্ম জ্ঞান দিয়ে চাহিদা মাত্র জেদ পূর্ণ না করে নোংরামীতে ভরপুর টিভি চ্যানেলের নোংরামী থেকে আধুনিকতার অসভ্য আচরণ থেকে দূরে রাখুন এবং খুব সহজে আশ্রয় দিবেন না। তাই দয়া করে সময় থাকতে এখনি সাবধান হোন। বৃদ্ধাশ্রম বন্ধে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অতীব জরুরী। সমাজ সচেতনতা ও সম্মিলিত চেষ্টাই দিতে পারে বৃদ্ধাশ্রম নামক অভিশাপ থেকে মুক্তি।
লেখকঃ গুফরান আহমদ চৌধুরী
সহকারী শিক্ষক নিউ ন্যাশন স্কুল এন্ড কলেজ, বাগবাড়ি, সিলেটএবং শিক্ষার্থীঃ হযরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল(এমএ) মাদ্রাসা, সুবহানীঘাট, সিলেট।
মোবাইলঃ ০১৭১৪৪৮৬১৭৩

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

Developed by:

.