বৃহস্পতিবার, ১৬ আগষ্ট, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মৌলভী ছাইর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন   » «   শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন  » «   বারহালে মাদক,সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আলোচনা সভা সম্পন্ন  » «   আটগ্রামে স্কুল ছাত্র সাজুর ইন্তেকাল  » «   আটগ্রামে সরকারি গোপাট উন্মুক্ত করতে ইউএনও বরাবরে অভিযোগ  » «   কালিগঞ্জ বাজারে একটি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি  » «   রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কুন্টি মিয়ার দাফন সম্পন্ন  » «   জকিগঞ্জে ডিজিটাল কনটেন্ট বিষয়ে দিন ব্যাপি কর্মশালা  » «   নৌকার সমর্থনে মাসুক উদ্দিন আহমদের গণ সংযোগ  » «   ৯ইউপি ও ১পৌরসভায় ত্রাণ বিতরণ করবে জকিগঞ্জ সোসাইটি অব ইউএসএ ইন্ক  » «  

বন্ধু দিবসের ভাবনা; প্রতিদিন, প্রতিক্ষণই বন্ধুর প্রয়োজন

প্রতি বছর আগস্টে

র প্রথম রোববার বিশ্বজুড়ে বন্ধু দিবস পালন করা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ৫ আগস্ট ছিল ‘বন্ধু দিবস’। বন্ধু ছাড়া আমাদের এক মুহূর্তও চলে না। প্রতিদিন, প্রতিক্ষণই আমাদের বন্ধুর প্রয়োজন হয়। যদিও বন্ধুত্বের কোনো দিবস হয় না। তারপরও প্রতি বছর প্রিয় বন্ধুর শুভকামনায় দিবসটি পালিত হয়।

বন্ধু দিবসের সূচনা বহু আগে। ১৯৩৫ সালে মার্কিন কংগ্রেস বন্ধুদের সম্মানে একটি দিন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে আগস্টের প্রথম রোববারকে জাতীয় বন্ধু দিবস বলে ঘোষণা করা হয়। এমনকি দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবেও তালিকাভুক্ত করা হয়। তখন থেকে প্রতি বছর দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্রের দেশগুলোয়, বিশেষ করে প্যারাগুয়েতে ঘটা করে বন্ধু দিবস পালিত হতো। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও আস্তে আস্তে অন্য দেশে দিনটি জনপ্রিয়তা পায়। দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই বন্ধু দিবস।
বন্ধু দিবস পালনের ইতিহাস ঘাঁটতে গেলে আরও কিছু কারণ জানা যায় বা সূত্র পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা, ভয়াবহতা ও বিশৃঙ্খলতা মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি করে। ফলে মানুষ একাকিত্ব বোধ করে। এ একাকিত্ব ও বন্ধুর অভাববোধ দূর করতে রাষ্ট্রীয়ভাবে বন্ধু দিবস নির্ধারণ করা হয়েছিল।
আবার কথিত রয়েছে, ১৯৩৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। দিনটি ছিল আগস্টের প্রথম শনিবার। বন্ধু বিয়োগের আঘাত সহ্য করতে না পেরে, হত্যার প্রতিবাদে পরদিন মৃত ব্যক্তির এক বন্ধু আত্মহত্যা করেন। বন্ধুর জন্য বন্ধুর এ আত্মত্যাগের ঘটনা সে সময় চারদিকে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। সে বছর মার্কিন কংগ্রেস এ বন্ধুত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস ঘোষণা করে।
এছাড়া ভিন্ন আরেকটি সূত্রে জানা যায়, বন্ধু দিবসের সূচনা হয় ১৯১৯ সালে। তখন আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধুরা নিজেদের মধ্যে কার্ড, ফুল, উপহার ও ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড বিনিময় করত। এরপর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পর্যায়ে বন্ধু দিবসের দিন ও তারিখ পাল্টায়।
১৯৫৮ সালে বিশ্বে শান্তির উদ্দেশে প্যারাগুয়েতে আন্তর্জাতিক নাগরিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডশিপ ক্রুসেড ৩০ জুলাইকে বিশ্ব বন্ধু দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেয়। একই সালের ২০ জুলাই ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডশিপ ক্রুসেডের প্রতিষ্ঠাতা ড. রেমন আর্তেমিও ব্রেঞ্চো বন্ধুদের সঙ্গে প্যারাগুয়ের পুয়ের্তো পিনাসকোতে রাত্রিভোজনে এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সে রাতেই প্রতিষ্ঠা পায় ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডশিপ ক্রুসেড। তাদের এ প্রস্তাবনা জাতিসংঘে পেশ করার পর ২০১১ সালের ২৭ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৩০ জুলাইকে বিশ্ব বন্ধু দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
তবে যে দিন বা তারিখেই বন্ধু দিবস হোক না কেন, বন্ধুত্ব যেন নির্ভেজাল ও চিরস্থায়ী হয়। জীবনের প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুহূর্তই যেন বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধন অটুট থাকে। প্রতিটি দিনই হোক আনন্দময় বন্ধু দিবস।

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.