শনিবার, ২৬ মে, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জকিগঞ্জে বৃহত্তর খলাছড়া প্রবাসী কল্যান সংস্থার আহবায়ক কমিটির আত্মপ্রকাশ  » «   জকিগঞ্জ বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ  » «   পাঠানচক প্রবাসী জনকল্যাণ সংস্থার কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান শনিবার  » «   প্রতিবন্ধী ও দরিদ্রদের মধ্যে জকিগঞ্জ এইচটিএ সেবা ফাউন্ডেশনের চাল বিতরণ  » «   সিলেট তিব্বিয়া কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর, জকিগঞ্জের সন্তান আব্দুর রবের ইন্তেকাল  » «   দূর্ঘটনায় নিহত জকিগঞ্জের সালমান আহমদ সুমনের দাফন  » «   দরিদ্র, প্রতিবন্ধীদের নিয়ে জকিগঞ্জ এইচটিএ সেবা ফাউন্ডশনের ইফতার  » «   বারহাল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন  » «   জকিগঞ্জে ফার্মাসিউটিকেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ এসো: কমিটি গঠন  » «   বাসের ধাক্কায় জকিগঞ্জের সুমনের মর্মান্তিক মৃত্যু  » «  

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের অজানা তথ্য

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি উৎক্ষেপণের পর নিজ কক্ষপথে পরিচালিত হওয়ার পর সম্প্রচার যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বিস্তৃত করতেও এর ভূমিকা থাকবে।

মহাকাশে প্রায় ৫০টির উপর দেশের দুই হাজারের উপর স্যাটেলাইট বিদ্যমান। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-আবহাওয়া স্যাটেলাইট, পর্যবেক্ষক স্যাটেলাইট, নেভিগেশন স্যাটেলাইট ইত্যাদি। তবে এটি হল যোগাযোগ ও সম্প্রচার স্যাটেলাইট।

টিভি চ্যানেলগুলোর স্যাটেলাইট সেবা নিশ্চিত করাই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের প্রধান কাজ। এর সাহায্যে চালু করা যাবে ডিটিএইচ বা ডিরেক্ট টু হোম ডিশ সার্ভিস।

এছাড়া যেসব জায়গায় অপটিক কেবল বা সাবমেরিন কেবল পৌঁছায়নি সেসব জায়গায় এ স্যাটেলাইটের সাহায্যে নিশ্চিত হতে পারে ইন্টারনেট সংযোগ।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের অবস্থান ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার কক্ষপথে। এর ফুটপ্রিন্ট বা কভারেজ হবে ইন্দোনেশিয়া থেকে তাজিকিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত।

শক্তিশালী কেইউ ও সি ব্যান্ডের মাধ্যমে এটি সবচেয়ে ভালো কাভার করবে পুরো বাংলাদেশ, সার্কভুক্ত দেশসমূহ, ফিলিপাইন এবং ইন্দোনেশিয়া।

কক্ষপথে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট রাখার জন্য ১৫ বছরের জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে অরবিটাল স্লট কেনা হয়েছে। তবে স্যাটেলাইটির  স্থায়িত্ব হতে পারে ১৮ বছর পর্যন্ত।

৩.৭ টন ওজনের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটির ডিজাইন এবং তৈরি করেছে ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়া স্পেস। আর যে রকেট এটাকে মহাকাশে নিয়ে যাচ্ছে সেটি বানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেসএক্স। উৎক্ষেপণ হচ্ছে ফ্লোরিডার লঞ্চপ্যাড থেকে।

শুরুতে এই প্রকল্পের বাজেট ধরা হয় ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ২৭৬৫ কোটি টাকায় এ পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হল। এর মধ্যে ১৩১৫ কোটি টাকা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার আর বাকিটা বিদেশি অর্থায়ন।

আর্থ স্টেশন থেকে ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে স্যাটেলাইটটির কক্ষপথে যেতে সময় লাগবে ৮-১১ দিন। আর পুরোপুরি কাজের জন্য প্রস্তুত হবে ৩ মাসের মধ্যে।

এরপর প্রথম ৩ বছর থ্যালাস অ্যালেনিয়ার সহায়তায় এটির দেখভাল করবে বাংলাদেশ। পরে পুরোপুরি বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের হাতেই গাজীপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়া আর্থ স্টেশন থেকে নিয়ন্ত্রিত হবে এটি।

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.