বৃহস্পতিবার, ১৬ আগষ্ট, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মৌলভী ছাইর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন   » «   শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন  » «   বারহালে মাদক,সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আলোচনা সভা সম্পন্ন  » «   আটগ্রামে স্কুল ছাত্র সাজুর ইন্তেকাল  » «   আটগ্রামে সরকারি গোপাট উন্মুক্ত করতে ইউএনও বরাবরে অভিযোগ  » «   কালিগঞ্জ বাজারে একটি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি  » «   রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কুন্টি মিয়ার দাফন সম্পন্ন  » «   জকিগঞ্জে ডিজিটাল কনটেন্ট বিষয়ে দিন ব্যাপি কর্মশালা  » «   নৌকার সমর্থনে মাসুক উদ্দিন আহমদের গণ সংযোগ  » «   ৯ইউপি ও ১পৌরসভায় ত্রাণ বিতরণ করবে জকিগঞ্জ সোসাইটি অব ইউএসএ ইন্ক  » «  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৮: ভারমুক্ত ক্রোয়েশিয়া নাকি দুর্বার ফ্রান্স?

প্রথমবার ফাইনালে আসা ক্রোয়েশিয়ার সাথে আগের পাঁচবারের দেখায় কখনো হারেনি ফ্রান্স। তাদের জয় তিনটি ও ড্র দুটি। তবে বিশ্বকাপ ফাইনালে এসে কোন নতুন দল কখনো হারেনি।

১৯৯৮ সালে ফ্রান্স আর ২০১০ সালে স্পেন প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা জিতেছিল।

অন্যদিকে নিজেদের তৃতীয় ফাইনালে এসে দ্বিতীয় শিরোপায় চোখ দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্সের।

ফ্রান্সের কৌশল

এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে পরিকল্পনামাফিক খেলছে ফ্রান্স। তাদের খেলার ধরণ ছিল আলাদা।

নিজেরা গোল দিয়ে প্রতিপক্ষকে শ্লথ করে দেয়ার কৌশল দিদিয়ের দেশমের দলের।

এই কৌশলে বাড়তি রঙ চড়ান পগবা, এমবাপে। এই দুজনের গতি, কাউন্টারে হিংস্র করে তোলে ফ্রান্সকে।

শুরু থেকেই জয় নির্ভর ফুটবল খেলার প্রচেষ্টা ছিল ফ্রান্সের।

শুধু নিজেরা গোল করে না, প্রতিপক্ষ আক্রমণভাগকে ভালভাবে বিশ্লেষণ করে মাঠে নামে দ্য ব্লুরা।

ছবির কপিরাইট Anadolu Agency
Image caption খেলোয়াড়ি জীবনের পর কোচ হিসেবেও বিশ্বকাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে দেশম

যেমন বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটিতে লুকাকুকে খোলসবন্দী রাখে ভারান, উমতিতিরা।

ব্লেইস মাতুইদি আর এনগোলো কান্তে মধ্যমাঠেই প্রতিপক্ষের বল নষ্ট করে দেয়। এটা মদ্রিচ, রাকিটিচরা কিভাবে সামাল দেয় সেটার ওপর অনেকটা নির্ভর করবে আজকের ফল।

প্রথম পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও পেরুর সাথে ফ্রান্সের জয়ের ধরণে অনেকেই ভাবেনি এতোদূর আসবে তারা। এরপর ডেনমার্কের সাথে বিশ্বকাপের একমাত্র গোলশূন্য ড্র নিয়েও সমালোচনা হয়।

তবে ফ্রান্স জীবনীশক্তি কুড়িয়েছে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। এমবাপে, পগবার গতির কাছে ম্লান হয়েছেন লিওনেল মেসি, এদিন মেসিকে খেলতেই দেয়নি ফরাসি রক্ষণ।

উরুগুয়ে ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে ফ্রান্স আবারো ট্যাকটিকাল গেম প্লে করে।

গোল করে জমাট রক্ষণে ফিরে যায়। তবে ফ্রান্সের বড় দুর্বল জায়গা নাম্বার নাইন, যদিও অলিভিয়ের জিরুর গোলমুখে নিষ্প্রাণ থাকা তাদের এখনো ভোগায়নি।

উরুগুয়ের বিপক্ষে ভারানে গোল করেন, বেলজিয়ামের বিপক্ষে উমতিতি। দুই ডিফেন্ডারের গোলে পার পেলেও ফাইনালের মতো ম্যাচ আরো কঠিন হবে।

ক্রোয়েশিয়ার দলগত নিবেদন

দুদলের মূল পার্থক্য হলো ট্যাকটিক্স ও নিবেদন।

ক্রোয়েশিয়ার দলটা লুকা মদ্রিচের সাথে সমানতালে দৌড়ায়, যিনি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব দৌড়েছেন।

মধ্যমাঠ ক্রোয়েশিয়ার বড় শক্তির জায়গা। মদ্রিচ, রাকিটিচ, পেরিসিচ।

আর ডিফেন্সিভ মিডে জোজোভিচ থাকায় অনেকটাই ভারসাম্য রক্ষা হয় এখানে।

লভরেন এই বিশ্বকাপ দারুণ কাটাচ্ছেন। লিভারপুলের এই ডিফেন্ডার চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল খেলেছেন, সেখানে দল হারলেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে তিনি সফলভাবে সামলেছেন।

বিশ্বকাপে লিওনেল মেসিকে পকেটবন্দী করেছেন লভরেন।

সময়ের দুই সেরা তারকাকে খেলতে না দেয়া কৃতিত্বের, তাই ফ্রান্সকে আজ তাকে হারাতে হবে। বিবিসি বাংলা

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.