মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জকিগঞ্জের মানিকপুরে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়  » «   বিরশ্রীর বড়চালিয়ায় ২৪, ২৫ ও ২৬জানু. সংকীর্তন মহোৎসব  » «   এবার জকিগঞ্জে বিধবার পাকাঘর মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে  » «   হাড়িকান্দি মাদ্রাসায় গোটারগ্রাম প্রবাসী সংস্থার ১লক্ষ টাকা অনুদান  » «   বৃদ্ধ চাচাকে নির্যাতনকারি ছুবহান সহ ৪জন কারাগারে, জকিগঞ্জ বার্তাকে অ্যাডিশনাল এসপি  » «   সিলেটে শ্রেষ্ঠ হলেন জকিগঞ্জ সার্কেল এর অ্যাডিশনাল এসপি  » «   শতবর্ষী চাচাকে নির্যাতনকারি সেই ভাতিজা আটক  » «   সেই শিশুর পাশে জকিগঞ্জ প্রবাসী সমাজকল্যাণ সংস্থা  » «   অমানবিক…..  » «   অসহায় মজলুম মানুষের খিদমতে নিজেকে উৎসর্গ করুন: আল্লামা ইমাদ উদ্দিন ফুলতলী  » «  

দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগ নিয়ে যা বললেন জকিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান

দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগ নিয়ে যা বললেন জকিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ। নিম্নে তার পুরো বক্তব্য তুলে ধরা হলো।

কিছু দিন পূর্বে জকিগঞ্জের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় আর্থিক অবৈধ লেনদেনের বিষয়টি আমার কর্নগোচর হলে অবৈধ অার্থিক লেনদেন বন্ধ করার জন্য বিগত০৩/১০/২০১৮খ্রিঃ তারিখে একটা ভিডিও বার্তা প্রেরণ করি এতে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হলেও পুরোপরি বন্ধ করা যায়নি। আমি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার আর্থিক অনিয়ম রোধে আন্তরিক ও সতর্ক থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়ার ফাঁক ফোঁকরের কারণে অনিয়মকারীরা সুযোগ পেয়ে যায়। কিছু সংখ্যক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি এক হয়ে অন্য সদস্যের সাথে যোগসাজশে অার্থিক অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।যেহেতু যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার কোনো নিয়ম ছিলনা এবং মৌখিক পরীক্ষায় নিয়োগ বোর্ডর প্রত্যেক সদস্যের মার্ক দেওয়ার ক্ষমতা ছিলো সমান। সেহেতু যোগ্যতা যাচাইয়ের সুযোগ ছিলো কম। ৪র্থ ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত পড়া লোকদের ৮ম শ্রেনী পাশ সনদ দিয়ে পরিক্ষায় অংশ গ্রহনের অভিযোগ রয়েছে।এমনও অভিযোগ রয়েছে ম্যানেজিং কমিটির কোনো সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য একই স্কুলের ৩/৪জনের কাছ থেকে চাকরী পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন এবং যার হয় নাই তার টাকা ফেরত দিয়েছেন। এমনও অভিযোগ আছে যে কোন বিশেষ দলের কিছু কিছু নেতা যাদের নিয়োগ কমিটির সদস্য বা প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন বা উঠাবসা করেছেন তারাও অনেকের কাছ থেকে চাকরী পাইয়ে দেয়ার নামে টাকা আদায় করেছেন। এদের অনেকেরই উপজেলা নির্বাহি অফিসার বা অন্যদের সাথে কথা বলারই সুযোগ নাই।চাকরি স্বাভাবিকভাবে হয়ে গেলে টাকা আত্মসাৎ, চাকরী না হলে টাকা ফেরত এটা ছিলো সম্পুর্ণ ধোকাবাজি।চাকরি না পাওয়া অনেকে মানববন্ধনে অভিযোগ করে বক্তব্য দিয়েছেন জমি বিক্রি করে টাকা দিয়েছি, সুদে ধার করে টাকা দিয়েছি।

তিনি বলেন শুধু বক্তব্য দিয়ে লাভ নেই, দয়া করে লিখিত আকারে সুনির্দিষ্টভাবে কে বা কারা নিয়েছে আমার কাছে অভিযোগ দিন আমি টাকা আদায়ে সর্বশক্তি নিয়োগ করব। পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী সকলের কাছে অনুরোধ করব যে, এ চাকরী কোনো টাকার বিনিময়ে হওয়ার কথা নয়। যাদের চাকরী হয়েছে বা যাদের চাকরী হয় নাই আপনাদের কাছ থেকে যদি কেহ টাকা নিয়ে থাকে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিতে চাই।দয়া করে লিখিত অভিযোগ দিয়ে আমাদেরকে সহায়তা করুন যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের টাকা আত্মসাৎ করা থেকে প্রতারকচক্র বিরত থাকে।যদি কোনো সরকারি চাকুরীজীবী জড়িত থাকেন সেটাও তুলে ধরেন তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্হা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

Developed by:

.