বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কানাইঘাটে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে মাসুক উদ্দিন আহমদ  » «   জকিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভা  » «   বৃক্ষরোপণ দিয়ে তারুণ্য ছাত্র ঐক্য পরিষদের প্রথম বর্ষপূর্তি পালন  » «   দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগ নিয়ে যা বললেন জকিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান  » «   আবুল হোসেন আইডিয়াল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল  » «   জকিগঞ্জে ইয়াবাসহ নারী আটক  » «   জকিগঞ্জের দপ্তরী নিয়োগ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন; পুলিশের বাঁধা  » «   জকিগঞ্জে প্রতিবন্ধিদের মধ্যে ক্র্যাচ বিতরণ  » «   জকিগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকদের কমিটি গঠন  » «   জকিগঞ্জ বনাম বিশ্বনাথের খেলা ২১অক্টোবর; খেলোয়াড় বাছাই ১৭অক্টোবর  » «  

জকিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের নানা অভিযোগ

জকিগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা অফিসার কাজী সাইফুল ইসলাম উপজেলার ১৩৬টি বিদ্যালয়ের স্লিপের মালামাল ক্রয়ে অনিয়ম,স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির মাধ্যমে ১০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে ৬ আগস্ট সোমবার বারঠাকুরি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উত্তরকুল ও মনসুর উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মহসিন মর্তুজা চৌধুরী টিপু ও আমলসীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. বিভাকর দেশমুখ্য জকিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের স্লিপের মালামাল ক্রয়ের জন্য ঢাকার একটি কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম জকিগঞ্জ উপজেলার ৬টি ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা অফিসার মো: আশরাফুল আলম সিরাজী, বীরেন চন্দ্র দাস ও জোবায়ের আহমদের মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখিয়ে কৌশলে প্রতিটি বিদ্যালয়ের জন্য ক্ষুদে ডাক্তারের ১৫টি এপ্রোণ ও ১২ সেট কাব ড্রেস বাবৎ ১০ হাজার ৫শ টাকা করে আদায় করেন। বিদ্যালয় ব্যববস্থাপনা কমিটি, স্লিপ কমিটি, ও সামাজিক নিরীক্ষা কমিটি না জানিয়ে নি¤œমানের মালামাল ক্রয় করে ১৩৬টি বিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে স্লিপ থেকে ৮ লক্ষ ১৬ হাজার টাকার ড্রেস বাণিজ্য করেছেন। স্লিপের অডিটের নামে ১৩৬টি বিদ্যালয় থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহকারী শিক্ষা অফিসারদের মাধ্যমে ১ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট এর অনলাইন ফিক্সেশনের জন্য শিক্ষক প্রতি ৫০ টাকা করে প্রায় ৮শ শিক্ষকের নিকট থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন। তাছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৫টি বিদ্যালয়ের বড় ধরনের মেরামতের টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন। একই অর্থ বছরে ৪৫টি বিদ্যালয়ে রুটিন মেইনটেইনের টাকা থেকে ১০০০ টাকা করে ৪৫ হাজার টাকা নগদ ঘুষ নেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, দুর্নীতি দমন কমিশন,প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন দপ্তরে দরখাস্তের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে। অভিযোগের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে অভিযুক্ত শিক্ষা অফিসার কাজী সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয় সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদার বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

Developed by:

.