মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সেই হামলায় জড়িত ফুলতলী এতিমখানার ৩শিক্ষক ও ১৭ছাত্রকে বহিষ্কার  » «   জকিগঞ্জের সেই মানসিক ভারসাম্যহীন পরিবারকে সহায়তা  » «   জকিগঞ্জে প্রায় ৭০লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দু’টি ব্রীজের উদ্বোধন  » «   জকিগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরীর গেইট ও দেয়াল উদ্বোধন  » «   গণিপুর কামালগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা  » «   দীর্ঘদিন পর জকিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল  » «   বার্জার ডিজিজে আক্রান্ত জকিগঞ্জের মুহিম একটু সহানুভূতি পাবে কী ?  » «   ভারত যাত্রার প্রাক্ষালে যা বললেন জকিগঞ্জের ইউএনও শহীদুল  » «   অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট আজ থেকে শুরু  » «   ফের পানিতে দীর্ঘক্ষণ ঘুমালো জকিগঞ্জের তজমুল  » «  

জকিগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ সাংবাদিকদের প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

IMG-20160316-WA0004

নিজস্ব প্রতিবেদক: জকিগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম রোকবানী চৌধুরী জাবেদসহ সাংবাদিকরা উপজেলার তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন। ভরণসুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাইলইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ছবড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিকট থেকে সমস্যা-সম্ভাবনার কথা শুনেন তারা। ভরণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০১০-১১ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত ভবনটি মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ। শিক্ষিকা আছমা বেগম জানান, বিদ্যালয়ের বিল্ডিংয়ে খুবই ঝুকির মধ্যে আমাদের থাকতে হয়। বৃষ্টির দিনে ছাদ ছুয়ে পানি পড়ে। নীচের ফ্লোর উঠে গেছে। দেয়ালে ফাটল। অনেকটা বাধ্য হয়ে এ ভবনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে হচ্ছে। পাশের অতি পুরাতন টিনসেডে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। ডেস্ক-বেঞ্চ গুলো ভেঙ্গে গেছে। ৩৩শতক জায়গার উপর ১৯৪০সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী রয়েছে ২৭৭জন।

হাইলইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মিত হওয়ায় সংকট কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। সদ্য বিদ্যুৎ সংযোগ হলেও বৈদ্যুতিক পাখা নেই। প্রধান শিক্ষিকা ফরিদা বেগম জানান বেশ কয়েক বছর থেকে অনেক কষ্ট করেছি। সম্প্রতি ভবন, ডেস্ক-বেঞ্চ, টিউবওয়েলসহ আরো কিছু সুবিধা আমরা পেয়েছি।

ছবড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রানী কাজল জানান, বিদ্যালয়ের ঝুকিপূর্ণ ভবনে বাধ্য হয়ে পাঠদান অব্যাহত রাখতে হয়েছে। একটি ৮৫সালে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্নে নির্মিত টিনসেড এবং অন্য ভবনটি ২০০১সালে নির্মাণ হলেও খুবই ঝুকিপূর্ণ প্রথমটি। পুরো টিনসেডটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। দেয়ালে বড় বড় ফাটল, ফ্লোরের পাকা উঠে গিয়ে বালু, ডেস্ক-বঞ্চে ভাঙ্গ। টিউবও্য়েল নেই। শৌচাগার ব্যবহার অযোগ্য। সব মিলিয়ে বিদ্যালয়ের সমস্যার অন্ত নেই। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বিশুদ্ধ পানির সংকট শুনে বিদ্যালয়ে একটি টিউবওয়েল দেয়ার কথা জানান। আক্ষেপ করে তিনি আরো বাতির নীচে অন্ধকার। উপজেলা পরিষদের প্রায় কাছাকাছি হওয়ার পরও এসব সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জানান, পরিষদের সমন্বয় সভায় বিদ্যালয়ের সমস্যা গুলো উপস্থাপন করবো। সমস্যা গুলো লাঘবে প্রয়োজনীয় পরামর্শ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হবে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: রফিজ মিয়া জকিগঞ্জ বার্তাকে জানান, বিদ্যালয় গুলোর সমস্যা আমি অবহিত আছি। এসব বিষয়ে করনীয় নির্ধারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হবে।

বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, জকিগঞ্জবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক এনামুল হক মুন্না, দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি আহসান হাবিব প্রমূখ।

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.