সোমবার, ২০ আগষ্ট, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মৌলভী ছাইর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন   » «   শাহগলী আদর্শ শিশু বিদ্যানিকেতনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন  » «   বারহালে মাদক,সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আলোচনা সভা সম্পন্ন  » «   আটগ্রামে স্কুল ছাত্র সাজুর ইন্তেকাল  » «   আটগ্রামে সরকারি গোপাট উন্মুক্ত করতে ইউএনও বরাবরে অভিযোগ  » «   কালিগঞ্জ বাজারে একটি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি  » «   রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কুন্টি মিয়ার দাফন সম্পন্ন  » «   জকিগঞ্জে ডিজিটাল কনটেন্ট বিষয়ে দিন ব্যাপি কর্মশালা  » «   নৌকার সমর্থনে মাসুক উদ্দিন আহমদের গণ সংযোগ  » «   ৯ইউপি ও ১পৌরসভায় ত্রাণ বিতরণ করবে জকিগঞ্জ সোসাইটি অব ইউএসএ ইন্ক  » «  

গোলাপগঞ্জে ২৪ দিন পর অপহৃত কিশোরি উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ গণধর্ষণের শিকার

গোলাপগঞ্জে এক কিশোরীকে (১৪) অপহরণের ২৪ দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে অপহরণকারীরা গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবারের সদস্যরা। অপহৃত কিশোরী উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামের ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন । তাঁরা হবিগঞ্জের বাহুবলের মাশোরা গ্রামের বাসিন্দা।

অপহরণের পর বুধবার বিকাল ৩ টায় উপজেলার হেতিমগঞ্জ বাজারে থেকে ওই কিশোরিকে উদ্ধার করে পুলিশ।
কিশোরির মা জানান, গত ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় তাকে ঘরে একা রেখে পৌর সদরে খরচ করতে যান। ঘরে ওই কিশোরিকে একা পেয়ে অপহরণকারীরা তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার পর পরিবার থানা পুলিশকে এ ব্যাপারে অবগত করে তারা খোঁজাখোঁজি করেন।

কিশোরি অপহরন হওয়ার পর তার মা বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় গত ৩১ জুলাই ৪ জনকে অভিযুক্ত করে একটি অপহরণ মামলা (নং ১৫-৩১/০৭/১৭) দায়ের করেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন এওলা টিকর গ্রামের মইন উদ্দিনের ছেলে মুজিবুর রহমান জাফরুল (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত আপ্তাব আলীর ছেলে খলিল মিয়া(৩০), সরাফত আলীর ছেলে কয়েছ আহমদ(৩২), মইন উদ্দিন(৫০)। মামলার পরবর্তী সময়ে পুলিশ কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এব্যাপারে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফরিদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি এখন বিশ্রামে আছি। অপহরণের তথ্য নিতে হলে ৪৫ মিনিট পর যোগাযোগ করেন। না হলে আমি কোন তথ্য দিতে পারবো না।

অপহৃতের সাথে প্রতিবেদকের কথা হলে সে জানায়, “মুুজিবুর রহমান উরফে জাফরুল, খলিল , কয়েছ, মইন আমাকে জোর পূর্বক অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমাকে একটি কালো গাড়ীতে তোলে ঢাকায় নিয়ে যায়। ঢাকায় নিয়ে একটি বাসায় রাখে। সেখানে তারা আমাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করতে চাইলে আমি চিৎকার করলে তারা কাপড় দিয়ে আমার মুখে চাপা দিয়ে ধর্ষণ করে। এভাবে তারা ৪/৫ দিন আমার ওপর নির্মম অত্যাচার করে। ৪/৫ দিন পর তারা আমাকে অন্য লোকদেরকে কাছে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে পালিয়ে আসে। জাফরুল, খলিল, কয়েছ, মইন বাসা ত্যাগ করলেও অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজন আমাকে আরো ১৮/১৯ দিন শারীরিক নির্যাতনসহ গণধর্ষণ করে। গত মঙ্গলবার ঢাকার সেই বাসা থেকে পালিয়ে ট্রেনে করে আমি সিলেট এসে পৌঁছি।

সেখান থেকে বাড়ীর উদ্দেশ্যে হেতিমগঞ্জ আসার পর পুলিশ আমাকে থানায় নিয়ে আসেন।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম ফজলুল হক শিবলীর কাছে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে। অপহরণকারীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রেখেছে। (সিলেট টাইমস বিডি)

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.