শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কাস্টমঘাটে প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষ্যে হাজারো মানুষের ভির  » «   নবাগত জকিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে বরণ  » «   জকিগঞ্জের পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে মাসুক উদ্দিন আহমদ  » «   জকিগঞ্জে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে অ্যাড. মোশতাক সহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ  » «   কানাইঘাটে দুর্গাপূজার মন্ডপ পরিদর্শনে ড. আহমদ আল কবির  » «   চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’র উদ্বোধন  » «   শাবির এ ইউনিটের মেধা তালিকায় জকিগঞ্জের জসিম লস্কর  » «   জকিগঞ্জ সার্কেল এর অ্যাডিশনাল এসপি মোস্তাক সরকারের বিদায় অনুষ্ঠান  » «   ৫০শয্যার জকিগঞ্জ সরকারি হাসপাতালের উদ্বোধন  » «   শাবিতে এ ইউনিটের মেধা তালিকায় জকিগঞ্জের মুয়িদুল  » «  

কীভাবে চলবে বিএনপি?


বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর দল কীভাবে পরিচালিত হবে তা জানতে চাওয়া হয় দলটির নেতাদের কাছে।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এনটিভি অনলাইনকে বলেন, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দল পরিচালিত হবে। কোনো ধরনের কনফিউশন (বিভ্রান্তি) তো নেই।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বর্তমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে তারেক রহমান দল পরিচালনা করবেন।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন বলেন, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে, দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় স্থায়ী কমিটির পরামর্শক্রমে দল পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৮ (গ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘(১) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালনে চেয়ারম্যানকে সহযোগিতা করবেন এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক অর্পিত যেকোনো দায়িত্ব পালন করবেন। (২) চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। (৩) যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান চেয়ারম্যানের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।’

আজ দুপুর ২টার দিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান রায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়া, মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সলিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

এ মামলায় মোট আসামি ছয়জন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পলাতক। এই তিনজন হলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

রায়ে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বাকি আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর পরই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীকে পুরান ঢাকার পুরোনো কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। (এনটিভি অনলাইন)

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

Developed by:

.