মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতীয় পার্টির যুক্তরাজ্য শাখার সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন হেলালের দেশে প্রত্যাবর্তন  » «   বারহাল ছাত্র পরিষদের আজীবন সদস্য, লন্ডন প্রবাসী আজিজ আহমদকে সংবর্ধনা  » «   সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ন ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা প্রদান  » «   জকিগঞ্জ-সিলেট সড়ক দ্রুত সংস্কার করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিলেন সেলিম উদ্দিন এমপি  » «   বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত জকিগঞ্জ হাসপাতাল  » «   বারহাল ছাত্র পরিষদের আজীবন সদস্য জনাব আজিজ আহমদ কে সংবর্ধনা প্রদান সম্পন্ন  » «   আল্লামা মকদ্দছ আলীর সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন  » «   মাসুক উদ্দিন আহমদ বারহাল এহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত  » «   শাহ মোঃ ফয়ছল চৌধুরী কল্যাণ ট্রাস্ট এর বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ  » «   জকিগঞ্জে ছাত্র মজলিসের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত  » «  

এমসি কলেজে ভাঙচুর, কলেজ অধ্যক্ষের মামলা

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাস ভাঙচুর ঘটনায় ৩৫ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

রবিবার বিকালে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নিতাই চন্দ্র চন্দ বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় দ্রুতবিচার আইনে এ মামলা দায়ের করেন বলে জানান ওসি আক্তার হোসেন।

ওসি বলেন, মামলায় ছাত্রলীগ নেতা টিটু চৌধুরীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এই মামলা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীকে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সৌরভ আচার্য্য, রফিজুল ইসলাম, শাওন আহমদ, নিউটন চৌধুরী, সোহাগ মিয়া ও আনোয়ার মিয়া।

গত বৃহস্পতিবার ছাত্রলীগের দুই পক্ষের উত্তেজনার জেরে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের তিনটি ব্লকের অন্তত ৫০টি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। ছাত্রাবাসে অধিপত্য নিয়ে ছাত্রলীগ নেতা টিটু চৌধুরী ও হোসাইন আহমদের অনুসারীদের মধ্যে উত্তেজনার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

ভাঙচুরের পর অনির্দিষ্টকালের বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে কলেজ ছাত্রাবাস। এ ঘটনা তদন্তে গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ওসি আক্তার বলেন, ছাত্রাবাসে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষার্থীদের মালামাল লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে।

সকালে শিক্ষার্থীরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা টিটু চৌধুরীর নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের একদল সশস্ত্র অস্ত্রধারী ছাত্রাবাসে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। এতে কলেজ ছাত্রবাসের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার দিন বিকালে কলেজ কর্তৃপক্ষ শাহপরাণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ৮ জুলাই সন্ধ্যায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের পর শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এই কলেজ ছাত্রাবাসে প্রায় অর্ধশত কক্ষ আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের একটি পক্ষকে দায়ী করে মামলা হলেও অপরাধীদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। (ঢাকা টাইমস)

আপনার মতামত প্রদান করুন

টি মন্তব্য

Insurance Loans Mortgage

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.